The Coconut Rhinoceros Beetle (also known as Gandar Poka or Gobor Poka) is a large scarab beetle that attacks the tender buds and crown of the coconut tree, boring tunnels inside it. As a result, the tree stops producing new leaves, yield decreases significantly, and eventually the tree may die. The attack of this beetle is commonly seen from the rainy season to winter. For prevention,
বিছা পোকা বা শুয়ো পোকা ফসল ও চারাগাছের বড় ক্ষতি করে। এরা রাতের বেলা কচি ডগা, পাতা কেটে গাছ দুর্বল করে দেয়। কিছু প্রজাতির লোম/কাটা মানুষের ত্বকে অ্যালার্জি ও জ্বালা তৈরি করে। দমন করতে সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (মেসি ১০ ইসি, টাইপার ১০ ইসি, সাইপেরিন ১০ ইসি) কার্যকর। সঠিক ডোজে স্প্রে করলে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ হয় ও ফসল সুরক্ষিত থাকে।
উলালা ৫০ ডব্লিউডিজি হলো একটি উন্নতমানের সিস্টেমিক ও পত্রভেদী (ট্রান্সলেমিনার) কীটনাশক, যা অ্যান্টি-ফিডিং ক্রিয়ার মাধ্যমে রসচোষা পোকাদের দ্রুত খাওয়ার ক্ষমতা বন্ধ করে দেয়। উলালা কীটনাশকের সক্রিয় উপাদান হলো ফ্লোনিকামিড (Flonicamid 50%), যা বিশেষভাবে শোষক শ্রেণীর পোকা যেমন: সাদা মাছি, এফিড, জেসিড, থ্রিপস, বাদামি গাছ ফড়িং (BPH, WBPH) এবং অন্যান্য হপার দমনে কার্যকর।
ধানের কারেন্ট পোকা / বাদামি গাছ ফড়িং (BPH) ধানের গোড়ায় দলবদ্ধভাবে রস চুষে গাছ দুর্বল করে দেয়। আক্রমণ বাড়লে ৩–৫ দিনে পুরো ক্ষেত শুকিয়ে যায়। এরা স্যাতস্যেতে জমি ও অতিরিক্ত ইউরিয়া ব্যবহারকৃত ধানে বেশি আক্রমণ করে। প্রতিরোধে জমি শুকনো রাখা, সুষম সার প্রয়োগ, ঘন রোপণ এড়িয়ে চলা জরুরি। গুরুতর আক্রমণে ইমিডাক্লোপ্রিড, নিটেনপাইরাম, পাইমেট্রোজিন বা ট্রাইফ্লুমেজোপাইরিম কার্যকর কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়।
আম গাছে হরমোন বা প্যাকলোবিউট্রাজল প্রয়োগে গাছের অতিরিক্ত বৃদ্ধি কমে গিয়ে শক্তি ফুল ও ফলে সঞ্চিত হয়। এতে প্রতি বছর নিয়মিত মুকুল আসে, ফলন বাড়ে, ফল হয় আকারে বড়, মিষ্টি ও পুষ্টিকর। সঠিক সময় ও ডোজ মেনে জুলাই-আগস্ট মাসে প্রয়োগ করলে গাছ সুস্থ থাকে ও উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। তবে অতিরিক্ত ব্যবহার গাছের ক্ষতি করতে পারে, তাই সতর্কভাবে ব্যবহার করুন।
ধানের চুঙ্গি পোকা / পাতা মোড়ানো পোকা বর্ষাকাল ও আমন মৌসুমে বেশি আক্রমণ করে। বিশেষ করে নিচু, জলাবদ্ধ ও সেচ জমিতে এদের আক্রমণ বেশি হয় এবং উঁচু শুষ্ক জমিতে কম হয়। ধান রোপণের প্রায় ১২ দিন পর থেকে আক্রমণ শুরু হয়। এরা ধান পাতার সবুজ অংশ খেয়ে ফেলে, ফলে পাতা লম্বা সাদা বর্ণ ধারণ করে। আক্রান্ত পাতা মোড়ানো থাকে এবং ভেতরে পোকা অবস্থান করে। আক্রমণ বেশি হলে পাতা কেটে দেয়, দূর থেকে খেত সাদাটে বা পাটকাঠির মতো
শিম গাছে ফুল ঝরে যাওয়া ও ফল না ধরার প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত বৃষ্টি ও সূর্যের আলো স্বল্পতা, অতিরিক্ত গরম ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন টানা বৃষ্টি বা আলো কম পাওয়া, তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রির বেশি হলে কিংবা জমিতে অতিরিক্ত নাইট্রোজেন সার ও উচ্চ মাত্রার কীটনাশক প্রয়োগ করলে ফুল ঝরে যায়। এর সমাধান হলো জমিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা, নিয়মিত সেচ দেওয়া এবং সার